শিরোনাম :
টেকনাফে ৭০ হাজার ইয়াবা ও নগদ টাকা উদ্ধার, আটক ২ টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হারুন গ্রেপ্তার টেকনাফে মা’দকের গডফাদারদের বি’রুদ্ধে শিগগিরই কঠোর অভিযান:ওসি সাইফুল ইসলাম টেকনাফে ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ, একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও বৃক্ষরোপণ টেকনাফে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী সন্তানকে কুপিয়ে হত্যা : প্রধান আসামি এহেছানুল হক গ্রেফতার ১ লাখ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার টেকনাফ মহাসড়কে ডাম্পার-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই আরোহী নিহত কক্সবাজার জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত মিয়ানমার থেকে আসা ৩ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবাসহ দুইজন আটক

পরিবেশ রক্ষায় বদলে যাচ্ছে সেন্ট মার্টিন, রোপণ হবে ২০ হাজার গাছ : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

মোহাম্মদ তোফাইল টেকনাফ কক্সবাজার প্রতিনিধি / ৬৩ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনকে পরিবেশবান্ধব, পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তুলতে প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে বৃক্ষরোপণ ও সমুদ্রসৈকত পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু হয়েছে। তিন দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে দ্বীপজুড়ে ২০ হাজার বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণের পাশাপাশি সৈকত থেকে প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করা হচ্ছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে সেন্ট মার্টিনে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সেন্ট মার্টিন আমাদের ভালোবাসার জায়গা, অস্তিত্বের জায়গা এবং বাংলাদেশের ঐতিহ্য। আমাদের একটাই সেন্ট মার্টিন। আমরা চাই, এই দ্বীপটিকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলতে।”

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে সেন্ট মার্টিনে আপাতত ২০ হাজার গাছ লাগানো হচ্ছে। উপকূলের যেখানে যে গাছ উপযোগী, সেখানে সেই গাছই লাগানো হবে, যাতে প্রাকৃতিক পরিবেশে সহজে বেড়ে উঠতে পারে।”

সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দ্বীপে ফলদ, ঔষধি ও বনজসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হবে। এসব গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সুরক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

কর্মসূচির আওতায় আম, পেয়ারা, বহেরা, হরতকি, নিম, কুল, কৃষ্ণচূড়া, জারুল, সাগরলতা, কেয়া ও নারিকেলসহ উপকূলীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে দ্বীপের সমুদ্রসৈকত থেকে প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণের কাজও চলছে। এর মাধ্যমে সেন্ট মার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষার পাশাপাশি সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, এনরুট ফাউন্ডেশন ও বিজিএসের যৌথ সহযোগিতায় ৮ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা, স্বেচ্ছাসেবক, যুবসমাজ, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়মিত বৃক্ষরোপণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে সেন্ট মার্টিনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি দ্বীপটির সৌন্দর্যও আরও বৃদ্ধি পাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!