কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শাহ পরীর দ্বীপের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম পাড়া এলাকার বাসিন্দা আজগর মাঝির নাম মানব পাচারকারীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি এবং স্থানীয়রা।
আজগর মাঝি দাবি করেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি শত্রুতাবশত তাকে জড়িয়ে এ ধরনের জঘন্য অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত হিসেবে উপস্থাপন করেছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
তিনি বলেন, “আমি মানব পাচারের মতো কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নই। যদি আমার এলাকার মানুষের কাছ থেকে যাচাই-বাছাই করে এর কোনো প্রমাণ পায়, তাহলে আমি স্বেচ্ছায় আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করব।”
তিনি আরও জানান, তিনি একজন দরিদ্র জেলে এবং মাছ শিকার করেই তার সংসার চলে। “মাছ ধরতে যেতে না পারলে আমাদের খাওয়ারও ব্যবস্থা থাকে না। আমার নিজের থাকার স্থায়ী জায়গা পর্যন্ত নেই।
স্থানীয় বাসিন্দা এস্পিডি আব্দুল্লাহও আজগর মাঝির পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন,আজগর মাঝি একজন গরিব ও নিরীহ মানুষ। তার কোনোভাবে মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রশ্নই ওঠে না। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার নাম তালিকায় দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “এলাকার কেউ যদি প্রমাণ দিতে পারে যে সে এ ধরনের কাজে জড়িত, তাহলে আমরা নিজেরাই তাকে আইনের হাতে তুলে দেব।”
এলাকাবাসীরাও একই সুরে কথা বলেছেন। তারা জানান, আজগর মাঝির ছবি মানব পাচারকারীর তালিকায় দেখে তারা বিস্মিত হয়েছেন। তাদের মতে, একজন নিরীহ মানুষকে এভাবে ফাঁসানো অনুচিত এবং এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা।
এ ঘটনায় সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা, যেন নিরপরাধ কেউ হয়রানির শিকার না হন।