কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহারনামীয় একমাত্র আসামি এহেছানুল হককে (৩৮) ঢাকার তেজগাঁও থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
র্যাব জানায়, গত ৯ জুলাই ২০২৬ কক্সবাজারের উখিয়া থানাধীন কুতুপালং ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকে পারিবারিক কলহের জেরে এহেছানুল হক তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার স্ত্রী শহীদা নুর ওরফে সুফিয়া (৩০) এবং পাঁচ বছরের ছেলে মোহাম্মদ শামীম মারা যায়। এ ঘটনায় তাদের অপর ছেলে মোহাম্মদ আফছার ওরফে বাপ্পী (১৪) গুরুতর আহত হয়।
ঘটনার পর এহেছানুল হক আত্মগোপনে চলে যান। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তারে র্যাব-১৫, কক্সবাজার গোয়েন্দা নজরদারি ও তৎপরতা জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৬ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৫ মিনিটে র্যাব-১৫ (ব্যাটালিয়ন সদর) ও র্যাব-২-এর সিপিসি-৩-এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ঢাকার তেজগাঁও থানাধীন লাইফ ইন্স্যুরেন্স অফিসের সামনে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মামলার একমাত্র এজাহারনামীয় পলাতক আসামি এহেছানুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার এহেছানুল হক কুতুপালং ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকের বাসিন্দা এবং তার বাবার নাম নুর আহম্মদ বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
অপরাধ দমনে এবং পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।