শিরোনাম :
যেখানে মাদক কারবারি দেখবেন সেখানে পিটিয়ে আইনের হাতে তুলে দিবেন : এমপি শাহাজাহান চৌধুরী যেখানে মাদক কারবারি দেখবেন সেখানে পিটিয়ে আইনের হাতে তুলে দিবেন : এমপি শাহাজাহান চৌধুরী বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমমুক্ত টেকনাফ ঘোষণা, জিপিএ-৫ ও নতুন কুঁড়ি বিজয়ীদের সংবর্ধনা নাফ নদীতে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু টেকনাফে অনুমোদনহীন কসমেটিকস বিক্রি, দুই দোকানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা টেকনাফে ১৪ লাখ ইয়াবার বৃহৎ চালান জব্দ, আটক ২ টেকনাফের শাপলাপুরে র‌্যাবের অভিযানে নিখোঁজের দুদিন পর দুই ভিকটিম উদ্ধার প্রয়াত প্রধান শিক্ষক মফিজ উদ দৌল্লাহ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল টেকনাফে র‌্যাবের অভিযান: মালয়েশিয়ায় পাচারের আগেই ৫ ভিকটিম উদ্ধার নাফ নদীর বুকে ঝুঁকিপূর্ণ জেটি, ২৩ বছরেও হয়নি সংস্কার

রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবস আজ: নয় বছরেও ঘরে ফেরার অপেক্ষা

মোহাম্মদ তোফাইল টেকনাফ কক্সবাজার প্রতিনিধি / ৪৯ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন

আজ ২৫ আগস্ট, রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবস। ২০১৭ সালের এই দিনে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর ভয়াবহ সামরিক অভিযান শুরু হয়। প্রাণ বাঁচাতে সেদিন থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।

 

জাতিসংঘ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার নথিতে ওই সময়ের ঘটনাকে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড, যৌন সহিংসতা, নির্যাতন ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। কয়েক মাসের মধ্যেই প্রায় সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেন। এর আগে থেকেই বাংলাদেশে অবস্থান করছিলেন আরও কয়েক লাখ রোহিঙ্গা।

 

আজকের দিনটি রোহিঙ্গাদের কাছে শুধু শোকের নয়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজভূমিতে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষারও প্রতীক। প্রতিবছর ক্যাম্পগুলোতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তারা নিহত স্বজনদের স্মরণ করেন এবং নিজ দেশে ফেরার দাবি জানান।

 

তবে নয় বছর পেরিয়ে গেলেও প্রত্যাবাসনের বাস্তব অগ্রগতি খুবই সীমিত। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে একাধিকবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, নাগরিকত্বের প্রশ্ন, পরিচয় যাচাই এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা নিয়ে জটিলতা রয়ে গেছে।

 

এরই মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে নতুন করে দেখা দিয়েছে বিতর্ক। মিয়ানমারের সাম্প্রতিক বক্তব্য ও অবস্থানকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে—রোহিঙ্গাদের কতজনকে এবং কোন পরিচয়ে ফিরিয়ে নেওয়া হবে? নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের নিশ্চয়তাই বা কতটা বাস্তব?

 

রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবসে তাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—আর কত অপেক্ষার পর নিজভূমিতে ফিরতে পারবেন বাস্তুচ্যুত এই মানুষগুলো? নিহতদের স্মরণ, ন্যায়বিচারের দাবি এবং নিরাপদ প্রত্যাবাসনের প্রত্যাশা নিয়েই আজকের দিনটি পালন করছেন রোহিঙ্গারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!