শিরোনাম :
বিজিবি-পুলিশের যৌথ অভিযান টেকনাফে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে ইয়াবা উদ্ধার ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ৩ কোটি ২৮ লাখ টাকার ইয়াবাসহ প্রাইভেটকার চালক সাইফুল ইসলাম আটক অপহরণকারীদের হাত থেকে আমাদের মুক্তি দিন : টেকনাফ–উখিয়ার শিক্ষার্থীরা টেকনাফে নতুন পুলিশ ফাঁড়ির স্থান পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে র‍্যাবের অভিযানে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক -৩ জোয়ারে শাহপরীর দ্বীপের বেড়িবাঁধে ধস, আতঙ্কে ৪০ হাজার মানুষ টেকনাফে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগে স্মারকলিপি টেকনাফে মানবপাচার প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মশালা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতরও চলছে চাঁদাবাজি! ‎

বিজিবি-পুলিশের যৌথ অভিযান টেকনাফে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে ইয়াবা উদ্ধার

মোহাম্মদ তোফাইল টেকনাফ কক্সবাজার প্রতিনিধি / ৪২ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন

টেকনাফে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৯ জুলাই টেকনাফ পৌরসভার ইসলামাবাদ এলাকায় অবস্থিত স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের একটি পার্সেলের ভেতরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধিনায়কের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় বিজিবি এবং টেকনাফ মডেল থানার পুলিশের সমন্বয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা আনুমানিক ১১টা ৪০ মিনিটে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে কার্গো স্টোরে থাকা ব্লুটুথ স্পিকার হিসেবে ঘোষিত একটি পার্সেল সন্দেহজনক মনে হলে সেটি পরীক্ষা করা হয়। পরে স্পিকারটি খুলে দেখা যায়, এর ভেতরের বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ অপসারণ করে কালো স্কচ টেপে মোড়ানো ছয়টি প্যাকেটের মধ্যে মোট ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট লুকিয়ে রাখা হয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, পার্সেলটি নারায়ণগঞ্জ থেকে টেকনাফে পাঠানো হয়েছিল। পরবর্তীতে ‘পণ্যটি সঠিক নয়’ উল্লেখ করে সেটি ফেরত পাঠানোর উদ্দেশ্যে কুরিয়ার সার্ভিসে জমা দেওয়া হয়। কোম্পানির তথ্যভাণ্ডার পর্যালোচনায় পার্সেলটি বহনকারী এক রাইডারের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, পার্সেল জমা দেওয়ার পর তিনি দ্রুত কর্মস্থল ত্যাগ করেন।

বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। জব্দকৃত ইয়াবা ও সংশ্লিষ্ট আলামত নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ঘটনায় পলাতক আসামি হিসেবে সাবরাং নয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দার মো. জামাল নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাকে এবং এ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান, অবৈধ পণ্য পাচার এবং সীমান্ত এলাকায় সংঘটিত সব ধরনের অপরাধ দমনে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!