শিরোনাম :
যেখানে মাদক কারবারি দেখবেন সেখানে পিটিয়ে আইনের হাতে তুলে দিবেন : এমপি শাহাজাহান চৌধুরী যেখানে মাদক কারবারি দেখবেন সেখানে পিটিয়ে আইনের হাতে তুলে দিবেন : এমপি শাহাজাহান চৌধুরী বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমমুক্ত টেকনাফ ঘোষণা, জিপিএ-৫ ও নতুন কুঁড়ি বিজয়ীদের সংবর্ধনা নাফ নদীতে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু টেকনাফে অনুমোদনহীন কসমেটিকস বিক্রি, দুই দোকানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা টেকনাফে ১৪ লাখ ইয়াবার বৃহৎ চালান জব্দ, আটক ২ টেকনাফের শাপলাপুরে র‌্যাবের অভিযানে নিখোঁজের দুদিন পর দুই ভিকটিম উদ্ধার প্রয়াত প্রধান শিক্ষক মফিজ উদ দৌল্লাহ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল টেকনাফে র‌্যাবের অভিযান: মালয়েশিয়ায় পাচারের আগেই ৫ ভিকটিম উদ্ধার নাফ নদীর বুকে ঝুঁকিপূর্ণ জেটি, ২৩ বছরেও হয়নি সংস্কার

সাগরে আবারও দুঃসংবাদ: টেকনাফে ১৩ জেলে অপহরণ করে নিয়ে গেছে আরকান আর্মি

টেকনাফ প্রতিনিধি / ১৫২ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন এলাকায় মাছ শিকার করার সময় ৩টি নৌকাসহ ১৩ জন জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে মায়ানমারের বিদ্রোহ গোষ্ঠী  আরকান আর্মি।

শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে মাছ শিকারের সময় এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল মান্নান জানান, জেলেরা নিয়মিতের মতো নাফ নদীর মোহনায় মাছ ধরতে গেলে হঠাৎ করে দ্রুতগতির স্পিডবোটে এসে তাদের ধাওয়া করে আরাকান আর্মির সদস্যরা। পরে অস্ত্রের মুখে ৩টি নৌকাসহ ১৩ জন জেলেকে ধরে নিয়ে যায় তারা।

অপহৃত জেলেদের মধ্যে রয়েছেন— ফরিদ হোসেন (৩০), রবিউল হাসান (১৭), মোস্তাফিজুর রহমান (৪০), কালাম (৩০), হোসেন আহমদ (৩৮), সালাউদ্দিন (১৮), মীর কাশেম আলী (৪০), গিয়াস উদ্দিন (১৮), মাহিউদ্দিন (২২), মলা কালু মিয়া (৫৫), আবু তাহের (৪০), আবদুল খালেক ও জাবের মিয়া (২৪)। তাদের সবার বাড়ি শাহপরীর দ্বীপ, পশ্চিম পাড়া, মাবর পাড়া ও ডাঙ্গার পাড়া এলাকায়।

শাহপরীর দ্বীপ পশ্চিম পাড়া জেলে সমিতির সভাপতি আবদুল গফুর জানান, ভোর ৪টার দিকে ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে জেলেরা মাছ ধরতে যায়। সকাল ৭টার দিকে কয়েকটি স্পিডবোটে করে এসে আরাকান আর্মির সদস্যরা তাদের ধরে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং নাফ নদী ও সাগরে মাছ ধরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

ইউপি সদস্য আবদুল মান্নান বলেন, “এভাবে চলতে থাকলে জেলে ও নৌকার মালিকদের মারাত্মক ক্ষতি হবে। দ্রুত এই ঘটনা বন্ধে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।”

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ইমামুল হাফিজ  নাদিম জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে অবহিত করা হয়েছে এবং বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

জেলে সমিতির সূত্রে জানা যায়, গত দেড় বছরে অন্তত চার শতাধিক জেলেকে বিভিন্ন সময়ে আরাকান আর্মি সীমান্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে ধরে নিয়ে গেছে। এর মধ্যে প্রায় আড়াই শতাধিক জেলে ফিরে এলেও এখনও ১৭২ জন জেলে এবং ৩২টি ট্রলার তাদের কাছে আটকা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!