শিরোনাম :
বিজিবির অভিযানে বিপুল অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার পর্যটকের ভিড়ে জমজমাট সাবরাং জিরো পয়েন্ট, ডাব বিক্রি করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন স্থানীয়রা মাদকের বিরুদ্ধে কোস্ট গার্ডের সফল অভিযান: টেকনাফে দেশীয় মদসহ দুই মাদক কারবারি আটক সেন্টমার্টিনে সাবেক ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে হামলা: আহত বর্তমান ইউপি সদস্য সেন্টমার্টিনে সাবেক ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে হামলা: আহত বর্তমান ইউপি সদস্য টেকনাফে জেলের বড়শিতে ধরা পড়ল ২৪ কেজি ওজনের বিশাল কোরাল মাছ সাব রেজিস্ট্রি অফিসকে ভূমি অফিসের সঙ্গে সমন্বয় করে যেকোনো দলিল করার পরামর্শ : নির্বাহী কর্মকর্তার টেকনাফ সীমান্তে গোলাগুলির শব্দে আতঙ্ক, নিরাপদে ফিরলেন জেলেরা উখিয়া টেকনাফের বিশালাকৃতির মহিষ “বার্শা”, দাম হাঁকা হচ্ছে ৭ লাখ টাকা সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ-পশ্চিমে যৌথ অভিযানে ২ হাজার ৪০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ, আটক ৩৩

টেকনাফ উপকূলে ৫৮ দিনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা: ঈদ সামনে রেখে বিপাকে ১০ হাজার জেলে পরিবার

নিউজ ডেস্ক (শৈবাল নিউজ) / ৮১ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলজুড়ে প্রায় ১০ হাজার পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে মাছ শিকারের উপর নির্ভর করে। তবে সরকারের আরোপিত ৫৮ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার কারণে বর্তমানে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন এসব জেলে পরিবার।

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, গত ১৫ এপ্রিল থেকে আগামী ১১ জুন পর্যন্ত সকল প্রকার মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রতিবছরের মতো এ বছরও সামুদ্রিক মাছের নিরাপদ প্রজনন ও মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। এ সময় জেলেদের আইন মেনে সাগরে মাছ শিকার থেকে বিরত থাকার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

তবে জেলেদের দাবি, নিষেধাজ্ঞার এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সামনে মুসলমানদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা থাকায় তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। মাছ ধরা বন্ধ থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অনেক জেলে।

স্থানীয় জেলেরা বলেন, “আমাদের একমাত্র আয়ের উৎস মাছ ধরা। নিষেধাজ্ঞার কারণে আমরা কাজ করতে পারছি না। সামনে ঈদ, সন্তানদের জন্য নতুন কাপড় তো দূরের কথা, খাবার জোগাড় করতেও কষ্ট হচ্ছে।”

এ অবস্থায় জেলেরা সরকারের কাছে ঈদের আগে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। জেলেদের দাবি, নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হলে তারা মাছ শিকার করে পরিবারের জন্য কিছুটা আয় করতে পরবে, এবং ঈদ উদযাপন করতে পারবেন স্বাভাবিকভাবে।

এদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষায় এই নিষেধাজ্ঞা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে জেলেদের দুর্ভোগের বিষয়টিও সরকার গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!