কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাবরাং উপকূলীয় রেডক্রিসেন্ট উচ্চ বিদ্যালয়ে কম্পিউটার সাক্ষরতা কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে। পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র অর্থায়নে এবং প্রোগ্রেস থ্রু ইনোভেশন সোসাইটির বাস্তবায়নে এ কম্পিউটার সাক্ষরতা কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়।
বুধবার সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ের নিজস্ব হল রুমে অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. রবিউল আলমের সঞ্চালনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন টেকনাফ সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামসুল আলম।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংক চট্টগ্রাম দক্ষিণ অঞ্চলের উপমহাব্যবস্থাপক মেজবাহ উদ্দিন মাহবুব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংক টেকনাফ শাখার ম্যানেজার আব্দুর রহিম, এটিএম কামরুজ্জামান, রাশেদুল করিম মার্কিন, সাবরাং উপকূলীয় রেডক্রিসেন্ট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিন উল্লাহ সাইফ, সাবরাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিছ উল্লাহ, সাবরাং ছান্দলী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকের হোসেনসহ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে পূবালী ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক মেজবাহ উদ্দিন মাহবুব বলেন, “ব্যবসায়িক কার্যক্রমের পাশাপাশি পূবালী ব্যাংক বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা উপকরণ দিয়ে সহযোগিতা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাবরাং উপকূলীয় রেডক্রিসেন্ট উচ্চ বিদ্যালয়ে চারটি ল্যাপটপ দেওয়া হয়েছে। এসব ল্যাপটপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর পড়াশোনার সুযোগ পাবে।”
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিন উল্লাহ সাইফ বলেন, “আমাদের বিদ্যালয়ে এর আগে কোনো ল্যাপটপ ছিল না। ফলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা অনেকটা পিছিয়ে ছিল। পূবালী ব্যাংকের সহযোগিতায় পাওয়া চারটি ল্যাপটপের মাধ্যমে এখন শিক্ষার্থীদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।”
তিনি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় এগিয়ে নিতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে পূবালী ব্যাংক ও প্রোগ্রেস থ্রু ইনোভেশন সোসাইটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা জানান, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার শিক্ষার সুযোগ তৈরি হওয়ায় তাদের দীর্ঘদিনের একটি প্রয়োজন পূরণ হয়েছে। নতুন এই কম্পিউটার সাক্ষরতা কেন্দ্রের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন ও কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রয়োজনীয় ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে পারবে।