শিরোনাম :
যেখানে মাদক কারবারি দেখবেন সেখানে পিটিয়ে আইনের হাতে তুলে দিবেন : এমপি শাহাজাহান চৌধুরী যেখানে মাদক কারবারি দেখবেন সেখানে পিটিয়ে আইনের হাতে তুলে দিবেন : এমপি শাহাজাহান চৌধুরী বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমমুক্ত টেকনাফ ঘোষণা, জিপিএ-৫ ও নতুন কুঁড়ি বিজয়ীদের সংবর্ধনা নাফ নদীতে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু টেকনাফে অনুমোদনহীন কসমেটিকস বিক্রি, দুই দোকানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা টেকনাফে ১৪ লাখ ইয়াবার বৃহৎ চালান জব্দ, আটক ২ টেকনাফের শাপলাপুরে র‌্যাবের অভিযানে নিখোঁজের দুদিন পর দুই ভিকটিম উদ্ধার প্রয়াত প্রধান শিক্ষক মফিজ উদ দৌল্লাহ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল টেকনাফে র‌্যাবের অভিযান: মালয়েশিয়ায় পাচারের আগেই ৫ ভিকটিম উদ্ধার নাফ নদীর বুকে ঝুঁকিপূর্ণ জেটি, ২৩ বছরেও হয়নি সংস্কার

রোগীর ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচার, বিজিবির জালে ৩ নারী আটক ; উদ্ধার ১০ হাজার ইয়াবা

মোহাম্মদ তোফাইল টেকনাফ কক্সবাজার প্রতিনিধি / ১৫০ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন

গলায় ব্যান্ডেজ, হাতে স্লিং আর মুখে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার গল্প—সব মিলিয়ে দেখে মনে হচ্ছিল তারা অসুস্থ রোগী। চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার যাচ্ছেন বলেই ধারণা করেছিলেন অনেকে। তবে সেই ‘রোগী’ পরিচয়ের আড়ালে লুকিয়ে ছিল বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালান।

রোববার সকালে কক্সবাজারের রামু উপজেলার মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে একটি সিএনজি অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে তিন নারীর কাছ থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় ইয়াবা পাচারের অভিযোগে ওই তিন নারীকে আটক করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে যানবাহনে তল্লাশি জোরদার করা হয়। এক পর্যায়ে সন্দেহভাজন একটি সিএনজি অটোরিকশা থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির সময় তিন নারী নিজেদের অসুস্থ রোগী হিসেবে পরিচয় দেন। তাদের কারও গলায় ব্যান্ডেজ ঝোলানো ছিল, আবার কারও হাতে ছিল স্লিং।

তবে আচরণে সন্দেহ হওয়ায় নারী সদস্যদের মাধ্যমে বিস্তারিত তল্লাশি চালানো হয়। এতে তাদের দেহে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

আটক তিন নারী উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, মাদক পাচারকারীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে প্রায়ই অভিনব কৌশল অবলম্বন করে। তবে গোয়েন্দা নজরদারি ও নিয়মিত তল্লাশির কারণে এসব অপচেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!