শিরোনাম :
অপহরণকারীদের হাত থেকে আমাদের মুক্তি দিন : টেকনাফ–উখিয়ার শিক্ষার্থীরা টেকনাফে নতুন পুলিশ ফাঁড়ির স্থান পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে র‍্যাবের অভিযানে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক -৩ জোয়ারে শাহপরীর দ্বীপের বেড়িবাঁধে ধস, আতঙ্কে ৪০ হাজার মানুষ টেকনাফে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগে স্মারকলিপি টেকনাফে মানবপাচার প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মশালা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতরও চলছে চাঁদাবাজি! ‎ টেকনাফে ইউনিয়ন বিভক্তকরণ সভায় হামলা,চেয়ারম্যানসহ আহত অন্তত ১৫ টেকনাফে অপহরণ বন্ধের দাবিতে রাজু ভাস্কর্যে মানববন্ধন-অনশনে এমপি শাহাজাহান চৌধুরীর সংহতি উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, মূল্য ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা

পর্যটকের ভিড়ে জমজমাট সাবরাং জিরো পয়েন্ট, ডাব বিক্রি করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন স্থানীয়রা

মোহাম্মদ তোফাইল টেকনাফ কক্সবাজার প্রতিনিধি / ৭৭ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র টেকনাফের সাবরাং জিরো পয়েন্ট এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখর। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটক এখানে ভিড় জমাচ্ছেন।

পর্যটকের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে স্থানীয় জনপদের অর্থনৈতিক চিত্র। গড়ে উঠছে নতুন নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, সৃষ্টি হচ্ছে কর্মসংস্থান, আর উন্নত হচ্ছে মানুষের জীবনযাত্রার মান।

সাবরাং জিরো পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, পর্যটকদের চাহিদাকে কেন্দ্র করে ছোট-বড় নানা দোকান, হোটেল, রেস্তোরাঁ ও শুকনো মাছের ব্যবসা গড়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি ব্যাপক প্রসার ঘটেছে ডাবের ব্যবসার। দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি দূর করতে পর্যটকদের প্রথম পছন্দ হয়ে উঠেছে ডাবের পানি। স্বাস্থ্যকর ও শরীর ঠান্ডা রাখার উপকারী পানীয় হিসেবে ডাবের চাহিদা প্রতিদিনই বাড়ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইউনুস জানান, সাবরাং জিরো পয়েন্টে পর্যটকদের আগমন শুরু হওয়ার পর থেকেই তিনি ডাবের ব্যবসা করছেন। বর্তমানে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১২০টি ডাব বিক্রি করেন তিনি। ডাবের আকারভেদে মূল্য ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব ডাব বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করে জিরো পয়েন্টে এনে বিক্রি করছি।

তিনি বলেন, “পর্যটকের সংখ্যা বাড়ার কারণে ডাবের চাহিদাও অনেক বেড়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৩ হাজার টাকা আয় করতে পারছি। এই ব্যবসার মাধ্যমে আমার পরিবারের খরচ সুন্দরভাবে চালাতে পারছি।”

শুধু মোহাম্মদ ইউনুস নন, তার মতো আরও অনেক স্থানীয় বাসিন্দা ডাবের ব্যবসার মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছেন। পর্যটন শিল্পের বিকাশ স্থানীয়দের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে, সাবরাং জিরো পয়েন্টে আসা পর্যটকরা জানান, এই স্থানটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অনন্য। একদিকে বিস্তীর্ণ সমুদ্র, অন্যদিকে পাহাড়ের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য এবং সীমান্তঘেঁষা সড়কের সৌন্দর্য পর্যটকদের মুগ্ধ করছে।

তাদের মতে, টেকনাফ ভ্রমণে এসে সাবরাং জিরো পয়েন্ট না দেখলে প্রকৃত ভ্রমণের আনন্দ পূর্ণতা পায় না।

স্থানীয়দের আশা, পর্যটকদের আগমন আরও বৃদ্ধি পেলে সাবরাং জিরো পয়েন্টকে ঘিরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারিত হবে এবং এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!